হাজারীবাগে কিশোর গ্যাং প্রধান কানা সোহেলের আতংকে এলাকাবাসী
—————————————————–
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় সোহেল ওরফে কানা সোহেল এর সন্ত্রাসী বাহিনী ও তার কিশোর গ্যাং বাহিনীর অত্যাচার জুলুম নির্যাতন ও চাঁদাবাজির কারনে গোটা এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
হাজারীবাগে গনকটুলি এলাকায় কিশোর গ্যাং এর প্রধান সোহেল ওরফে কানা সোহেলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভয়ংকর এক সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী এবং এই বাহিনীর এক অংশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ভয়ংকর কিশোর গ্যাং, রাজধানীর হাজারীবাগে গনকটুলি সিটি কলোনি সহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে সোহেল ওরফে কানা সোহেলের মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার, জানা গেছে সোহেল ওরফে কানা সোহেল (বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত) আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাজারীবাগ থানার নেতা ছিলেন, এই সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক প্রমাণিধি ও অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দদের ম্যানেজ করে রেখেছেন তার সহোদর বড় ভাই জাফর হোসেন রানা সে নিজেকে হাজারীবাগে বিএনপি নেতা বলে পরিচয় দিয়ে থাকেন বলে জানা গেছে। তাই এই কানা সোহেল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ কোনো ধরনের প্রতিবাদ করতে গেলে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ও কিশোর গ্যাং বাহিনী ধারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দারা মানুষের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে সর্বস্ব লুটপাট করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে, আর এই সন্ত্রাসী কানা সোহেলের তার সন্ত্রাসী বাহিনী কিশোর গ্যাং বাহিনী ও তাদের মাদক ব্যবসা সহ সকল কিছুতে প্রশাসনিকভাবে সার্বিকভাবে সহযোগিতা দিয়ে আসছেন ৫ই আগস্ট এর পর থেকে তার বড় ভাই জাফর হোসেন রানা, বর্তমানে রানার পৃষ্ঠপোষকতায় ও আশ্রয় রয়েছেন তাদের এই সন্ত্রাসী বাহিনী ও কিশোর গ্যাং বাহিনী, সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় হাজারীবাগের গনকটুলির ও তার আশপাশের এলাকার স্থানীয় কিছু মুরুব্বি ও লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সোহেল ওরফে কানা সোহেলের ‘মা’ শিল্পী তত্কালীন সময়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের পৃষ্ঠপোষকতায় ও আশ্রয় হাজারীবাগের আওয়ামী মহিলা লীগের সাহসী নেত্রী হিসেবে পরিচিত পাওয়ার পর হাজারীবাগে সিটি কলোনিতে শুরু করেন মাদককের বিশাল বড় ওপেন স্পট আর এই প্রকাশ্যের মাদকের স্পটে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ইয়াবা ও হিরোইন বিক্রি করতো শিল্পীর নেতৃত্বে, পরবর্তীতে এই শিল্পীর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, হয়ে গেছেন রাতারাতি ভাবে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ, যেমন কোটি কোটি টাকার মালিক, আর মাদক বিক্রির অবৈধ টাকায় গড়েছেন ঢাকা শহরের বাড়ি ও ঢাকার বাহিরের গড়েছেন একাধিক বাড়ি এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকায় গড়েছেন নামে বেনামে সম্পদের পাহাড়, এমনকি এই শিল্পী আর আগের মতো একা চলাফেরা করেন না যখনই বের হয় তাকে প্রটেক্ট দেওয়ার জন্য নিয়যিত থাকেন ৮-১০ জনের লেডি ব্যাকআপ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেটেসি পাওয়ার পর এই সন্ত্রাসী সোহেল ওরফে কানা সোহেলকে ধরতে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান চালালে সোহেল সুকৌশল অবলম্বনে পালিয়ে গেলেও তার বাহিনীর বিপুলসংখ্যক লোকজনকে আটক হলে তাদের দখল হইতে বিপুল পরিমাণ মাদক ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার হলে ঘটনাটি ব্রেকিং নিউজ হিসেবে আলোচিত হওয়ায় জাতীয় দৈনিক পত্র-পত্রিকা সহ ইলেকট্রিক মিডিয়া প্রচারিত হয়, পরে সোহেল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গাঁ ঢাকা দিয়ে ছিলেন এবং পরবর্তীতে আবার সেনাবাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযানে শিল্পীকে ধরতে তার বাসায় অভিযান চালালে তাকে না পেয়ে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ তার সহযোগী ননদ শিল্পীকে গ্রেপ্তার করেন এবং পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর আতংকে শিল্পী তার লোকজন নিয়ে এলাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় সতর্কতা ভাবে গা ঢাকা দিয়ে ছিলে, বর্তমানে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পুনরায়নের এলাকায় এসে আবারো শুরু করেছেন মাদকের রমরমা ব্যবসা, তাদের মাদকের ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন ও বিক্রি করছেন হাজারীবাগে সিটি কলোনির বড় মহল্লায় কালন ওরফে ইয়াবা কালন এবং তাদের হিরোইন এর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ রয়েছেন রবিন, জানাগেছে এই রবিন হাজারীবাগ সহ বিভিন্ন জায়গায় হিরোইন সরবরাহ করে থাকেন ও এই রবিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হিরোইন মাদককের একাধিক মামলা রয়েছে, বর্তমানে সন্ত্রাসী সোহেল ওরফে কানা সোহেল তারা এতোটাই উত্তেজিত ও আতংকিত হয়েছে উঠেছেন যে তারা আল্লাহ ঘড় মসজিদে জানাজা পড়ানোর যায়গা জোরপূর্বক দখল করে দোকান বানিয়ে রাখায় কারণে ঐখানের একজন বাসিন্দা নাম মোঃ মানিক তিনি বলেন মসজিদের জানাজার জায়গায় কোন প্রকার দোকান রাখা যাবে না বা করাও যাবে না এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করলে সোহেল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা মানিককে প্রকাশ্যে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে রক্তাক্তভাবে আহত করে এবং খবর শুনে মানিকের স্ত্রী তার স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে মানিকের স্ত্রীকেও মারধর করিয়া ও তার গলায় ধারালো অস্ত্র দ্বারা আঘাত করিয়া গলায় থাকা দুই ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন ছিনিয়ান নেয়, পরবর্তীতে তারা দুজনই আহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাইমারি ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করে হাজারীবাগ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন এবং অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা সাথে কথা বলে জানা গেছে উক্ত অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছেন বলে বলেন। হাজারীবাগে গনকটুলি এলাকার একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশে না আশার শর্তে তিনি কথা বলেন এবং তিনি নিজেও আতংকিত এই কানা সোহেলের সন্ত্রাসী বাহিনী কাছে, কারণ কানা সোহেলের সন্ত্রাসী বাহিনী হাতে কারণে অকারণে বহু সাধারণ মানুষ হেনস্তের শিকার হয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে, কানা সোহেলের গোটা পরিবার ছোট বড় মহিলা পুরুষ সাবাই কোন না কোন ভাবেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে এবং কানা সোহেলের অন্যান্য সদস্যরা রাত হলেই বিভিন্ন এলাকায় চুরি, রাতে বিভিন্ন অন্ধকার গলি ও নিরিবিলি রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করলেই অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নিরীহ সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করা বা ছিনতাই করা তাদের প্রতিনিয়ত কাজ। কানা সোহেলের কয়েক জন সক্রিয় সদস্য হলেন কালন ওরফে ইয়াবা কালন, রবিন, আমির হোসেন, ইয়াসিন কিশোর গ্যাং লিডার, ফাহিম, রাসেল, টুটুল, রবিন ওরফে টোকাই রবিন, স্বপন ওরফে বরিশাইলা স্বপন, সাহিদ, জুল্লা, রানাসহ আরো অনেকে এবং কানা সোহেল এলাকার বহিরাগত লোকজন নিয়ে আইসা আতঙ্ক সৃষ্টি করেন চলাফেরা ও ঘোরাঘুরি করে তাদের নাম জানেনও না বলতেও পারেন না তিনি, এই গনকটুলি ও এর আশপাশের এলাকায় যে কয়জন সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে আমার জানতে পারলাম ও সকলেরই একি রকম কথা এলাকার মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে চান স্বস্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চান দোকানদারি করতে চান যাতে করে কোন ধরনের চাঁদার আতঙ্ক না থাকে এলাকা যুব সমাজকে মাদকের থাবা ও কিশোর গ্যাং এর হাত থেকে রক্ষা চায় এবং শান্তিতে এলাকা দিয়ে চলাফেরা করতে চাই যাতে করে কোন ধরনের আতঙ্ক না থাকে, তাদের কথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুদৃষ্টি কামনা করেন যাতে করে করে দ্রুত এর পদক্ষেপ নেন এবং এই সমস্যা হতে সমাধান পাওয়া এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দাবী।
মন্তব্য করুন