_শোক জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান__
ইসমাইল আহমেদ
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নেপালের রাসুয়া জেলা ও সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা এবং বরফ-পাথরের ধসের কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
প্রাথমিক বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৫ হাজার মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের বড় অংশ ভেঙে নিচের উপত্যকায় পড়ে যায়। এতে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও পানি নদীপথে নেমে এসে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
হতাহত ও নিখোঁজ
বিভিন্ন প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা প্রায় ১৬০ জন পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে নেপালে ১৫৭ জন এবং তিব্বতে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটকও রয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
বন্যা ও ভূমিধসে রাস্তা, সেতু, ঘরবাড়ি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক সড়ক ও সেতু ধ্বংস হওয়ায় দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোর পৌঁছাতেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর শোক
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নেপালের জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী এবং নেপালের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
এদিকে, বাংলাদেশ সরকার নেপালের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।
মন্তব্য করুন